শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

“যুক্তরাজ্যের করোনার ধরন “বি১১৭” এতোবেশি ঝুঁকিপূর্ণ নয়” : গবেষকগণ

Reporter Name
  • মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ যুক্তরাজ্যে পাওয়া করোনাভাইরাসের ধরনের কারণে গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি হচ্ছে না বলে এক গবেষণায় বলা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, করোনার অন্যান্য ধরনের তুলনায় এ ধরনে রোগীর খুব বেশি গুরুতর অবস্থা হচ্ছে না ।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, আজ মঙ্গলবার এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। তাতে এ-ও বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের করোনার ধরন দ্রুত ছড়াতে সক্ষম। এই বিশেষ ধরনটির নাম হলো “বি১১৭” । বর্তমানে করোনার এই ধরন ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে আগের গবেষণাগুলোয় বলা হয়েছিল, করোনাভাইরাসের অন্যান্য ধরনের তুলনায় যুক্তরাজ্যের ধরনে মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি। কিন্তু এবারের দুটি গবেষণায় বলা হচ্ছে, “বি১১৭”-এর কারণে খারাপ উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বা সংক্রমিত ব্যক্তির মধ্যে অন্যান্য ধরনের তুলনায় বেশি ঝুঁকি সৃষ্টি করছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এবারের দুটি গবেষণাপত্র “দ্য ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিজেস” ও “দ্য ল্যানসেট পাবলিক হেলথ” জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের করোনার ধরনে কিছুটা বেশি সংক্রামক এবং এর পুনরুৎপাদন হার করোনার অন্যান্য ধরনের চেয়ে বেশি।

দুটি গবেষণাপত্রের একটিতে ৩৪১ জন করোনা রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। তাতে দেখা গেছে, তাঁদের ৫৮ শতাংশ “বি১১৭”-এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। আর বাকি ৪২ শতাংশ রোগীর দেহে এই ধরন পাওয়া যায়নি। আবার যাঁরা “বি১১৭”-এ আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের ৩৬ শতাংশের প্রচণ্ড অসুস্থতা বা মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে যাঁরা “বি১১৭”-এ আক্রান্ত ছিলেন না, তাঁদের ৩৮ শতাংশের এমন পরিস্থিতি হতে দেখা গেছে। এসব উপাত্ত দিয়ে গবেষণায় বলা হয়েছে, শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়া বা গুরুতর উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের করোনার ধরনের সম্পর্ক নেই।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় গবেষণায় মোট ৩৬ হাজার ৯২০ জন ব্রিটিশ নাগরিকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে তাঁরা কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই গবেষণায় দেখা গেছে, বি১১৭-এর পুনরুৎপাদনের হার করোনার অন্যান্য ধরনের তুলনায় ১ দশমিক ৩৫ গুণ বেশি। তবে একই সঙ্গে এ ধরনের ক্ষেত্রে রোগের গুরুতর অবস্থা সৃষ্টিরও কোনো প্রমাণ মেলেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us