ডেস্ক রিপোর্ট : নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় ভারতীয় সংগীতশিল্পী অভিজিৎ ভট্টাচার্য। কন্ঠের জাদুতে দশকের পর দশক ধরে শ্রোতাদের মাতিয়ে গেছেন তিনি। তবে সমস্যাটা হলো কন্ঠটা যত মিষ্টি আচরণটা ততটাই অম্ল এই শিল্পীর। বেফাঁস মন্তব্যের জন্য প্রায়শই সমালোচনায় পতিত হন তিনি তবু যেন সাধ মেটে না অভিজিতের। তবে এবার আরেক বেফাঁস মন্তব্যের জন্যে ব্যাপক রোষানলে পড়লেন তিনি, পড়লেন আইনি বিপাকে!
কিছুদিন আগে একটি সাক্ষাৎকারে ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে ‘পাকিস্তানের জনক’ বলে মন্তব্য করেন অভিজিৎ। আর তাতেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন এই শিল্পী।
সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ বলেন, ‘সুরকার আরডি বর্মন মহাত্মা গান্ধীর থেকেও বড় ছিলেন। মহাত্মা গান্ধী যেমন জাতির জনক, তেমনই আরডি বর্মন ছিলেন সংগীত জগতের জনক।’ এরপরই তিনি মন্তব্য করেন, ‘মহাত্মা গান্ধী পাকিস্তানের জনক ছিলেন ভারতের নয়। ভারতবর্ষের অস্তিত্ব তো ছিলই, পাকিস্তান পরে তৈরি হয়েছে। ভুল করেই ভারতে গান্ধীকে জাতির জনক বলা হয়। পাকিস্তানের অস্তিত্বের জন্য তিনিই দায়ী।’
অভিজিতের এমন মন্তব্যের পর থেকেই ভারতের বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিবাদ উঠতে থাকে। তার এই মন্তব্যে শুধু রাজনৈতিক দলের নেতারা ক্ষিপ্ত হননি, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষও হতবাক হয়েছেন। এমন বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে পুনের এক আইনজীবী এর প্রতিবাদ জানিয়ে অভিজিতের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছেন আইনি নোটিশ। শুধু তাই নয়, গায়ককে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতেও বলা হয়েছে। এমনকি, ক্ষমা না চাইলে ফৌজদারি মামলা করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সেই আইনজীবী।
প্রসঙ্গত, অভিজিতের এমন মন্তব্য নতুন কিছু নয়। ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। শাহরুখ খান, সালমান খান, রণবীর কাপুর সহ অনেক বলিউড তারকার বিরুদ্ধে তিনি আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তবে এবার তার মন্তব্যটি আরও বড় আকারে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
Leave a Reply