ডেস্ক রিপোর্ট : ১. সিকান্দার কা মুকাদ্দার। ২. যায়ে আপ কাহাঁ যায়েঙ্গে। ৩. জাহানকিল্লা। ৪. দিল্লিবাস। ৫. নাম।
সিকান্দার কা মুকাদ্দার
২০০৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। মুম্বাইয়ের নিকসো একজিবিশন সেন্টারে এক প্রদর্শনী চলছে। কামিনী সিং (তামান্না ভাটি) আর মঙ্গেশ দেসাই (রাজীব মেহতা) ডিভাইন ডায়মন্ডস অ্যান্ড জুয়েলারি নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে, তাদের সঙ্গে আছে কম্পিউটার টেকনিশিয়ান সিকান্দার শর্মা (অবিনাশ তিওয়ারি) যার দায়িত্ব প্রদর্শনীর অডিও-ভিজুয়াল স্লাইড পর্যবেক্ষণ। প্রদর্শনীতে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ কর্মকর্তা সন্তোষ কাম্বলের (প্রফুল জোশি) কাছে খবর আসে চারজন সশস্ত্র ডাকাত মূল্যবান কিছু রতœ লুট করবে। পুলিশ এমনকি ডাকাতদের চিহ্নিতও করে ফেলে সংঘর্ষে তারা নিহত হয়। নিহতদের লাশ সরিয়ে নেবার পর কামিনী আর মঙ্গেশ তাদের স্টলে ফিরে যায়, তারা দেখতে পায় ৫০ ষাট কোটি রুপির রতœ গায়েব হয়ে গেছে। ডাকাতরা ডাকাতির সময়টাতে সিসিটিভি বন্ধ করে দেয়ায় জানা গেল না ঠিক কী করে ডাকাতি হয়েছে। এবার তদন্তের ভার পরে এমন ডাকাতি তদন্তের জন্য খ্যাত জসবিন্দর সিংয়ের ওপর (জিমি শেরগিল)। সরেজমিনে তদন্ত করে সে জানায় সিকান্দার, কামিনী বা মঙ্গেশের মধ্যে একজন রতœগুলো সরিয়েছে। তাদের আটক করে ৭দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। এর মধ্যে সময় গড়িয়ে যায়। জসবিন্দর এখন আর তার পদে নেই কিন্তু সে সিকান্দারের খোঁজ খবর নেয়া থামায়নি; সিকান্দার পরে দুবাইতে স্থায়ী হয়। একসময় সিকান্দার ভারত ফিরে আসে। জসবিন্দর এবার সেই ডাকাতির কেসটি তদন্তের সুযোগ পায়। তবে তা তদন্ত নাকি কোনও নতুন পরিকল্পনা?
Leave a Reply