বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত জনপ্রতিনিধি এবং দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের কঠোর বার্তা দিতে চায় আওয়ামী লীগ। দলের হাইকমান্ড থেকে ইতোমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সতর্ক করা হয়েছে দলীয় সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাদের। এ কারণে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের কোনো ছাড় দিচ্ছে না ক্ষমতাসীনরা। বিতর্কিত কাজে দলের প্রভাবশালী নেতা-এমপিরা জড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেয়া হচ্ছে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা।
একইসঙ্গে অনুপ্রবেশকারী-সুযোগ-সন্ধানীদের বিষয়েও সচেতন থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে দলের হাইকমান্ড থেকে। দলটির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারাও বলছেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অপরাধে জড়িতদের জন্য একটা সতর্ক বার্তা।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, দেশে যে আইনের শাসন আছে, দেশে যে বিচার ব্যবস্থা শক্তিশালী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেন না সম্প্রতিকালের কয়েকটি ঘটনা এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ। সারা দেশে যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ও অপরাধে জড়িত- এটা অবশ্যই তাদের জন্যও একটা সতর্ক বার্তা।
একই বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ যুগান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।
তাই অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, সে যে দলেরই হোক না কেন। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় অনেক ঘটনা হয়তো ঘটে যা আমাদের নজরে আসে না। কিন্তু সব সময় অপরাধীদের বিরুদ্ধে নেত্রীর অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে তৃণমূলে কঠোর বার্তাও দেয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক দু’ভাবেই তার বার্তা পাঠাচ্ছেন। দলীয়ভাবে কিছু নির্দেশনা দিচ্ছেন চিঠি দিয়ে। কাউকে কাউকে মৌখিক ও বার্তাবাহকের মাধ্যমে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে।
এছাড়া দলীয় অপরাধীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেখানে দুর্নীতি-অনিয়ম পাচ্ছি, সে আমার দলের যতবড় নেতা হোক, কর্মী হোক, যেই হোক, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
Leave a Reply