ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় শিগগিরই ‘যুদ্ধবিরতির’ সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে। তৃতীয় ধাপে স্থায়ীভাবে গাজা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে ইসরায়েল-
ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েল বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা। আর তাতেই বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়েছে স্থানীয় পুলিশ। প্রতিবাদের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি ভবন প্রায়
যেকোনো অনলাইন মাধ্যমে ইসরায়েল বিরোধী কোনো কথা বললেই নিজেদের নাগরিকদের গ্রেফতার করছে সৌদি আরব। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যই দিয়েছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন গণমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, ইরান
রাশিয়ার সেনারা আফ্রিকার দেশ নাইজারের একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে প্রবেশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন মার্কিন ঘাঁটিতে রুশ সেনা উঠার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিন বলেছেন, রাশিয়ার সেনারা
গাজায় খাদ্য সরবরাহ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও এখনো দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা শেষ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আজ শুক্রবার ফিলিস্তিন অঞ্চলের দেখভালের দায়িত্বে থাকা ডব্লিউএইচও’র প্রতিনিধি রিক পিপারকর্ন
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এমন সময় তিনি এই আহ্বান জানালেন যখন যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন করে পরোক্ষ আলোচনা করতে হামাসের একটি প্রতিনিধি দল মিশরের রাজধানী
রেঞ্জের ভেতর ইসরায়েলগামী সকল জাহাজে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি আন্দোলন। শুক্রবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠিটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া বলেন, ইয়েমেনের হুতিরা তাদের সীমার মধ্যে
সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদির কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আলোচনা চলছে। সৌদি আরব যদি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি
ফনিও নামের এক প্রাচীন শস্যদানার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন মার্কিন ধনকুবের ও মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি ধরে এই শস্যদানা খাবার হিসেবে গ্রহণ করে আসছে আফ্রিকার কিছু অঞ্চলের
কারাদণ্ড। এমনই এক আইন পাশ হয়ে গেল ইরাকের পার্লামেন্টে। দেশটির সরকারের দাবি, ধর্মীয় মূল্যবোধকে রক্ষা করার লক্ষ্যে এই নতুন আইন পাশ করা হলো। ইরাকে আগে প্রস্তাব আনা হয়েছিল, সমকামীদের মৃত্যুদণ্ড