আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর খবরটি প্রথম জানায় দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানি কর্তৃপক্ষ। তবে তারা ক্ষেপণাস্ত্রটির ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পারলেও বিশ্লেষকেরা ধারণা করছিলেন, এটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আইআরবিএম। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম এমন পরীক্ষা চালালো পিয়ংইয়ং।
হোয়াসং-১২ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি যথার্থভাবে কাজ করছে কি না, তা নিশ্চিত হতেই এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। এর আগে তারা বলেছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি বড় আকারের ও ভারী পারমাণবিক ওয়ার হেড বহনে সক্ষম।
ক্ষেপণাস্ত্রটির সামনের দিকে একটি ক্যামেরা যুক্ত করা আছে এবং সেটি দিয়ে মহাকাশে থাকা অবস্থায় ছবি তোলা যায়। এরই মধ্যে কিছু ছবি প্রকাশ করেছে কেসিএনএ। মহাকাশ থেকে তোলা ছবিতে উত্তর কোরিয়া ও এর আশপাশের এলাকার চিত্র ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে, উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানো নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণু অস্ত্র এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পুনরায় পরীক্ষা শুরু করার পূর্বসূরি হতে পারে বলে মনে করছে তারা। ওয়াশিংটনে একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘শুধুমাত্র তারা গতকাল যা করেছে তা নয়, এটি সত্য যে এই মাসে এটি বেশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরীক্ষার হিল নিয়ে আসছে।’ এ সময় পিয়ংইয়ংকে কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই সরাসরি আলোচনায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।








Leave a Reply