শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

গোপালগঞ্জে ৫৮ ভিক্ষুকের চাকরিজীবী হওয়ার স্বপ্ন

Reporter Name
  • বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের চৌরখুলী গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের লালমন বিবি (৭০)। বিধবা। এই বয়সে এসেও নিজের পেট নিজেকেই চালাতে হয়। অন‌্য কোনো বিষয়ে দক্ষতা না থাকায় পেশা হিসেবে বেছে নেন ভিক্ষাবৃত্তি। দিনভর কোটালীপাড়া সদরসহ বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষা করেন। এতে যে অর্থ আর চাল সংগ্রহ করতে পারেন তাই দিয়ে কোনমতে চালিয়ে নেন।

শুধু লালমন বিবি নয় ওই গ্রামের ৫৮ জন নারী-পুরুষ দীর্ঘদিন ধরে ভিক্ষাবৃত্তি পেশায় জড়িত। বিভিন্ন সময়ে এর থেকে উত্তরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কখনই তাদের নিবৃত করা যায়নি।

 

তবে হাল ছাড়েননি কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মাহফুজুর রহমান। গতকাল বুধবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ওই গ্রামে আলোচনায় বসেন তিনি।

এতে উপস্থিত ছিলেন কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বাদল ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান শুভ। দীর্ঘ আলোচনার পর ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে কাজ করে উপার্জন করবেন এমন আশ্বাস দেন তারা।

জানাগেছে, প্রশাসন-রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ-জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গৃহীত বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নকল্পে ভিক্ষুকদের আশ্বস্ত করা হয়। আগামী ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তারা সবাই চাকরিজীবী হিসেবে পরিচিত হবেন। তবে চাকরি পাওয়ার পর থেকে ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়তে হবে তাদের।

এ লক্ষ্যে চৌরখুলী গ্রামে সরকারি অর্থায়নে একটি প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি নির্মান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ফ্যাক্টরি নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে জমিও নির্বাচন করা হয়েছে। সবার সহযোগিতায় বিজয়ের এ মাসেই ফ্যাক্টরি নির্মাণ সম্পন্ন করে নতুন এক বিজয় অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধ হন সবাই। এ আহ্বানে ভিক্ষুকরা আশ্বস্ত হয়ে আশ্বাস প্রদান ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

চৌরখুলী গ্রামের ভিক্ষুক আমেনা বেগম, আমিরোন বেগম, শাহানা বেগম জানান, সংসারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তারা বিক্ষাবৃত্তি বেছে নেন। এ পেশায় কোনো মান নেই। উপার্জনও খুব কম। কোনোমতে জীবন চালিয়ে নিচ্ছেন তারা। সরকারি সহযোগীতা না পাওয়ায় ইচ্ছা থাকলেও তারা এ পেশা ছাড়তে পারেননি বরে জানান।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us