মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বিশ্বজনীন ধর্মের নাম ইসলাম। যে ধর্মে যে কোনো যুগের যাবতীয় সমস্যার সমাধান ও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
ইসলামের দৃষ্টিতে সব মানুষ সমান। ইমান ও তাকওয়া হচ্ছে মানুষের মর্যাদার মানদণ্ড। যে যত বেশি মুত্তাকি, আল্লাহ তাকে তত ভালোবাসেন। মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব। ইসলাম উঁচু-নিচু, সাদা-কালো, ধনী-গরিব, ছোট-বড় সবার অধিকার নিশ্চিত করেছে।
শুধু মানুষ নয় বরং সৃষ্টির সব স্তরের সম্ভাব্য সব ধরনের বৈষম্য ও ভেদাভেদ দূর করে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের এক অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আল্লাহতায়ালা মানুষকে জ্ঞান এবং বিবেক দিয়েছেন। আমরা আল্লাহর সেই সৃষ্টির মধ্যে কিছু কিছু সৃষ্টিকে অস্বাভাবিকও দেখতে পাই। এ অস্বাভাবিক সৃষ্টির রহস্য হল বান্দা যেন বুঝতে পারে, তিনি স্বাভাবিক সুন্দর সৃষ্টির পাশাপাশি ব্যতিক্রমও করতে সক্ষম।
এভাবে আল্লাহ যাকে বিপদাপদ থেকে নিরাপদ রাখেন; সে যেন আল্লাহর দয়া ও করুণার কথা ভেবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। আল্লাহ চাইলে তার ক্ষেত্রেও তেমন করতে পারতেন। এক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রতিবন্ধীদের কথা বলা যায়, যারা পদে পদে চরম লাঞ্ছনা, গঞ্জনা ও বঞ্চনার মধ্যে দুর্বিষহ জীবন কাটায়।
এমন ব্যক্তিকে আল্লাহতায়ালা এ সমস্যার বিনিময়ে তাঁর সন্তুষ্টি, দয়া, ক্ষমা ও জান্নাত দিতে চান।
তিরমিজি শরিফে বর্ণিত হাদিসে কুদসিতে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমি যার প্রিয় চোখ নিয়ে নিই, অতঃপর সে ধৈর্য ধারণ করে এবং নেকির আশা করে; আমি তার জন্য এর বিনিময়ে জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুতে সন্তুষ্ট হই না’ (হাদিস নং-১৯৫৯)।
আভিধানিক অর্থে প্রতিবন্ধী হচ্ছে- দৈহিক শক্তির একান্ত অভাব বা অঙ্গহানির কারণে যারা আশৈশব বাধাপ্রাপ্ত, মূক, বধির ও অন্ধ প্রভৃতি।
Leave a Reply