শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

বৃক্ষরাজি : আল্লাহর নেয়ামত

Reporter Name
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের বিভিন্ন নেয়ামত দিয়ে ধন্য করেছেন। পার্থিব জগতে প্রতিটি বস্তু মানবজাতিরর কল্যাণের জন্য সৃজন করেছেন। পৃথিবীকে সাজিয়েছেন হরেক রকম সৃষ্টি দিয়ে। এরমধ্যে অন্যতম হলো, বৃক্ষরাজি। গাছগাছালি জীব-জন্তুকে পরিশোধিত বায়ু দ্বারা জীবন ধারণের বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এ গাছপালার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, ওষুধপত্র, গৃহ নির্মাণ, আসবাবপত্র ও জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্র আমাদের বিভিন্ন উপকারে আসে। কুরআনের ভাষ্য, ‘রাব্বুল আলামিন তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, এ পানি থেকে তোমরা পান করো। এ পানি দ্বারা তোমাদের জন্য উৎপাদন করেন ফসল, জয়তুন, খেজুর, আঙ্গুর ও সর্বপ্রকার ফল।’ (সূরা নাহাল : ১০)

আল্লাহ তায়ালা বৃষ্টি বর্ষণ করেন, যাতে ভূমি সজীব ও উর্বর হয় এবং তাতে উদ্ভিদ ও বৃক্ষরাজি উৎপন্ন হয়। আল্লাহ তায়ালা জানান দেন, এখনই সময় বৃক্ষ রোপণ করার। কিন্তু আমরা বুঝেও বুঝি না। জনসংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ার সাথে সাথে গাছপালা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। এতে পরিবেশ ও জীব-জন্তুর জীবন-ধারণ দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। বিশেষভাবে বৃক্ষরাজির অভাবে পরিবেশের ওপর বিপর্যয় দেখা দেয়। মরুকরণ, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার প্রকোপ ভয়াবহ আকারে দেখা দেয়। পরিবেশবিজ্ঞানীদের ধারণামতে কোনো দেশের পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় সে দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা অতীব প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের ৬৫ হাজার বর্গমাইলে মাত্র ১০ হাজার বর্গমাইল বনভূমি রয়েছে। অর্থাৎ আয়তনের মাত্র ১৫ ভাগ। নির্বিচারে বৃক্ষ কাটা, যত্রতত্র বৃক্ষকে অবহেলাভরে পদদলিত করা রীতিমতো দেখা যাচ্ছে সব জায়গায়। এভাবে চলতে থাকলে সুন্দর বৃক্ষময় এলাকা একসময় বৃক্ষশূন্য রূপ নেবে বলে মনে করি।

তাই আমাদের এ ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। বিভিন্ন ঋতুর প্রাকৃতিক পরিবর্তন হয়। শীত ঋতুতে গাছের পাতা ঝরে যায়। সে সময় বৃষ্টিপাত না থাকায় অনেক বৃক্ষ অঙ্কুরেই মরে যায়। তাই বর্ষার বৃষ্টিপাতে বৃক্ষ রোপণ করলে, তা সহজেই সতেজ হয়ে ওঠে। এ দিকেও আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। বৃক্ষের বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে। ভেষজ, আসবাবপত্র ও জ্বালানিরূপে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ফলদানকারী বৃক্ষও আছে। আম, জাম, কাঁঠালের ফলন হয়। আসবাবপত্র তৈরিতেও বৃক্ষের কোনো জুড়ি নেই। জ্বালানিতেও বৃক্ষের চাহিদা খুব। কয়লার জন্য বৃক্ষের বিকল্প নেই।

মহান রাব্বুল আলামিন মানবজাতির জন্য বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষ সৃষ্টি করেছেন। আমাদের পক্ষে এর নাম ও গুণগত কল্পনা করা অসম্ভব। বৃক্ষের লতাপাতাতে রয়েছে চিকিৎসার সবরকম বৈশিষ্ট্য। চিকিৎসকরা অবাক হয়ে পড়েন বৃক্ষের গুণাগুণ দেখে। সুতরাং বৃক্ষকে বাঁচাতে হলে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। বৃক্ষরোপণ অভিযানে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে অংশগ্রহণ করতে হবে। যদি আমরা প্রত্যেকে একটি করে গাছ লাগাই, তাহলে আমাদের দেশে বৃক্ষের কমতি হবে না কখনোই। পরিবেশও আমাদের অনেকটা অনুকূলে চলে আসবে। তাই আসুন দলমত নির্বিশেষ সবাই মিলে গাছ লাগাই, পরিবেশ বাঁচাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us