নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ব্যাপক উৎসাহ ও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী। গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাংলাবাজার জামে মসজিদে ব্রঙ্কস ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মত অনুষ্ঠিত হয় এ মাহফিল। বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর পূণ্যময় জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল এবং তবারক বিতরণের মধ্যে দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন’র।

উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ইয়াহইয়ার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাফিজ মাওলানা ওয়াহি আহমেদ চৌধুরীর পরিচালনায় মাহফিলে তাৎপর্যপূর্ণ ওয়াজ পেশ করেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ড. শেখ রাব্বি ওসমান এবং মুফতি মাওলানা মইনুল ইসলাম। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ আবু সাঈদ।

বক্তারা মহানবী (সঃ)-এর বর্ণাঢ্য জীবনের বিভিন্ন দিক ও আদর্শের উপর আলোকপাত করে বলেন, রাসূল (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। মহান আল্লাহ বিশ্বজগতের শান্তির দূত হিসেবে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এ পৃথিবীতে প্রেরণ করেন। তিনি প্রচার করেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। বিশ্ববাসীকে মুক্তি ও শান্তির পথে আহ্বান জানান। প্রতিষ্ঠা করেন মানুষের মর্যাদা ও অধিকার। মহানবীর (সঃ)-এর আদর্শ আজকের বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তারা। মহানবীর আদর্শ অনুসরনের মাধ্যমে ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সমাজের সকল স্তরেই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
বক্তারা মহানবীর (সঃ) আদর্শ অনুসরনের আহবান জানিয়ে বলেন, এক শ্রেণীর জ্ঞানপাপী সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল (সা.) কে সাধারণ মানুষের সাথে তুলনা করেন। অথচ রাসূল (সা.) সাধারণ মানুষ মনে করলে ঈমানই থাকবে না।
অনুষ্ঠানে এরপর মাওলানা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ইয়াহইয়া ও হাফেজ আবদুল কাদের মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন। মাহফিলে মুসলিম উম্মা ও বিশ্ব মানবতার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া-মুনাজাত পরিচালনা করেন ড. শেখ রাব্বি ওসমান। বিশ্বে করোনায় শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আক্রান্তদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করা হয়।
উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ইয়াহইয়া এবং সদস্য সচিব হাফিজ মাওলানা ওয়াহি আহমেদ চৌধুরী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য সকলকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
Leave a Reply