শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

সমকামিতা ‘পাপ’, খ্রীষ্টান চার্চ সমকামীদের আশীর্বাদ করবে না

Reporter Name
  • মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ডেস্কঃ  খ্রীষ্টান চার্চ সমকামী ইউনিয়নগুলোকে আশীর্বাদ করবে না বলে জানিয়েছে ভ্যাটিক্যান। গতকাল খ্রিস্টান​​​​​​​দের শীর্ষ ধর্মীয় যাজক পোপ ফ্রান্সিস অনুমোদিত এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।

বিবৃতিতে সমকামিতাকে ‘পাপ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে এবং এটিকে ব্যক্তিগত পছন্দ বলেও মন্তব্য করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ঈশ্বরের পরিকল্পনাকে উদ্দেশ্যমূলক আদেশ হিসেবে চিহিৃত করা যায় না।

সিএনএন জানিয়েছে, চার্চের এই অবস্থান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কয়েক লক্ষ সমকামী যুগলদের হতাশ করেছে।

ভ্যাটিক্যানের শীর্ষ ত্বত্তীয় কার্যালয়ের বিশ্বাস মতবাদের জন্য গঠিত কমিটির সদস্যরা বিবৃতিতে বলেন, সমকামী ইউনিয়নগুলোকে আশীর্বাদের জন্য লাইসেন্স হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। কারণ, ঈশ্বর ‘পাপাচার’কে কখনই আশীর্বাদ করেন না।

চার্চের ভেতর এবং বাইরে সমকামী লোকদের সর্বদা স্বাগত জানিয়ে আসা ধর্মীয় যাজক পোপ ফ্রান্সিস এই বিবৃতিকে অনুমোদন দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত খ্রিস্টানদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। বিশেষ করে যারা আশা নিয়ে বসেছিলেন যে, ভ্যাটিক্যান সমকামিতার ব্যাপারে তাদের নীতিকে আধুনিক করবে। অথচ পশ্চিম ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশেই সমকামী বিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত বছর এক ডকুমেন্টারি ভিডিওতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পোপ ফ্রান্সিসের কথা শুনে মনে হয়েছিল তিনি সমকামী যুগলদের ইউনিয়ন আইনের পক্ষে ছিলেন।

তখন তিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের সন্তান হিসেবে সমকামী মানুষদের নিজ পরিবারে থাকার অধিকার রয়েছে। কেউই তাদেরকে পরিবার থেকে বের করতে পারবে না। এখন আমরা তাদের জন্য একটি সিভিল ইউনিয়ন আইন তৈরি করতে পারি। এর মধ্য দিয়ে তারা বৈধতা পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us