শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

ঝালকাঠির বধ্যভূমিগুলো ৫০ বছরেও সংরক্ষণ হয়নি

Reporter Name
  • সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১
  • ৩২০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ডেস্কঃ  ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস ধরে বধ্যভূমিতে গণহত্যা, লুটসহ ঝালকাঠিতে চলে পাকবাহিনীর নির্মম নির্যাতন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষন হয়নি। একাত্তরের স্মৃতি আর শোকগাঁথা এসব বধ্যভূমিগুলো কালের গর্ভে হারাতে বসেছে।

মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় লেখক ও গবেষক পলাশ রায় জানান, একাত্তরের ৭ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্থানী সেনারা শহর ছেড়ে পালিয়ে গেলে বিনা বাঁধায় ঝালকাঠি হানাদার মুক্ত হয়। ৮ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঝালকাঠি ও নলছিটি থানা দুটি মুক্তিযোদ্ধারা দখল করে নেয় । রাতের মধ্যেই পুরো জেলা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রনে আসে। কিন্তু একাত্তরের নয় মাস ঝালকাঠির বিভিন্ন স্থানে বধ্যভূমিতে গণহত্যা, লুট আর নারী নির্যাতনসহ হানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালায়। ঝালকাঠি জেলার সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি শহরের সুগন্ধা নদী পাড়ে বর্তমান পৌর খেয়াঘাট এলাকায়। ১৯৭১ সালের ৩০ মে একদিনেই এখানে ১০৮ জন নিরিহ বাঙ্গালী ও মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। জেলার বেশাইন খান গ্রামে ৭ জুন হানাদাররা মসজিদ থেকে নামাজ পড়া অবস্থায় ধরে এনে সেখনকার বধ্যভূমিতে হত্যা করে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিজনকে।

এখন পর্যন্ত ঝালকাঠি জেলায় জেলায় ২২টি বধ্যভূমি ২টি গণ কবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে এর সংখ্যা আরও বেশি দাবী স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের।

এদিকে আত্মত্যাগী এই সব শহীদের স্মৃতি রক্ষায় স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষন হয়নি। বধ্যভূমিগুলোর দুএকটিতে সরকারী উদ্যোগে স্মৃতি সৌধ নির্মান হলেও বেশিরভাই অরক্ষিত। জেলার সবচে বড় পৌর খেয়াঘাট এলাকায় একাত্তরের বধ্যভূমি সংলগ্ন নির্মিত হয়েছে পৌর কশাইখানা। আর সারা দেশের সাথে ঝালকাঠি জেলায় নির্মিত জেলা শহীদ স্মৃতি ফলকটিতে নির্মানের ৬ মাসের মধ্যেই ফলক থেকে মুছে গেছে শহীদের নাম।

স্বাধীনতার পর বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ না করায় অনেকগুলো স্থান স্মৃতির গর্ভে হারিয়ে গেছে । কোন কোনটি দখলও হয়ে গেছে। এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, বধ্যভূমিগুলোতে স্মৃতি সৌধ নির্মানের প্রকৃয়া চলছে অতি দ্রুত সংরক্ষনের ব্যপারে সরকারী উদ্যোগ নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us