শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

ঘুম নষ্ট হবে, নিউ বর্ন বেবির ঘুমে এই পাঁচটি ভুল করবেন না!

Reporter Name
  • বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : শিশুর সঙ্গে নিজেও যদি শান্তিতে ঘুমোতে চান কয়েকটি ভুল সম্পর্কে সচেতন হন। এই সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে যাওয়া খুবই সহজ। জন্মের পর থেকে শিশুর মাত্র দুটি কাজ ‘খাওয়া আর ঘুম’। সাধারণত সদ্যোজাতরা ১৪-১৭ ঘণ্টা ঘুমায়। কেউ কেউ আবার ১৮-১৯ ঘণ্টাও ঘুমায়। এটাই স্বাভাবিক। শিশুর পরিচর্যা করতে করতে নিজের নাওয়াখাওয়া ভোলেন নতুন মা। রাতের ঘুম ছুটে যায় নতুন বাবারও। আসলে অনভিজ্ঞতার কারণে সদ্যোজাতর যত্নে ছোটোখাটো ভুল বাবা-মায়েরা প্রায়ই করে থাকেন। সবচেয়ে বেশি ভুল হয় শিশুকে ঘুম পাড়ানো নিয়ে। সেই ভুলের কারণেই নিজেদের ঘুমের বারোটা বাজে। শিশুর সঙ্গে নিজেও যদি শান্তিতে ঘুমোতে চান, কয়েকটি ভুল সম্পর্কে সচেতন হতে হবে আপনাকে। এই সাধারণ ভুলগুলি এড়িয়ে যাওয়া বেশ সহজ।

শুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত খাবার

বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায়, ঘুমোনোর আগে শিশুকে মায়েরা বেশি করে দুধ খাইয়ে দেন। তাঁরা মনে করেন, বেশি দুধ খাওয়ালে বা পেট ভরা থাকলে শিশু অনেকক্ষণ ঘুমাবে। কিন্তু বাস্তবে এমনটা হয় না। আসলে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি দুধ পান করলে শিশুর অস্বস্তি হতে পারে। তার ফলে তার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে শিশুকে সঠিক পরিমাণে দুধ খাওয়াতে হবে।

ঘুমের রুটিন অনুসরণ না করা

অনেক সময় মা-বাবা শিশুর ঘুমোনোর সময় পরিবর্তন করেন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম না পাড়িয়ে, দিনের যে কোনও সময়ে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করেন। তার চেয়ে বাবা-মায়েরা যদি নিজেদের ঘুমের সময় শিশুকে ঘুম পাড়ান, সে মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ে কাঁদতে শুরু করবে না। আর বড় কথা, শিশুকে যখন তখন ঘুম পাড়াবেন না।

শিশুর ঘুমের জায়গা পরিবর্তন

বড়দের মতো ছোটরাও যেখানে সেখানে ঘুমোতে পারে না। ঘুমের জায়গার পরিবর্তন হলে তারাও অসুবিধায় পড়ে। প্রায়ই দেখা যায়, সোফায় কিংবা প্র্যামে ঘুমিয়ে পড়ে বাচ্চারা। তাতে শিশুর ঘুম পরিপূর্ণ হয় না। সেই সময় শিশুকে তুলে তার বিছানায় শুইয়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

রাতে লাইট অন-অফ

রাতে শিশুর ঘরে হালকা নাইট ল্যাম্প কিংবা আলো জ্বালিয়ে রাখাই ভালো। বার বার লাইট অন কিংবা অফ করলে ছোটদেরও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তাছাড়া শিশুর ঘুমের সময় অযথা ঘরে বেশি শব্দ করলেও, তাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

রাতে নড়াচড়া করলেই শিশুর কাছে যাবেন না রাতে ঘুমের সময় শিশু কেঁদে উঠলে কিংবা নড়াচড়া করলে সঙ্গে সঙ্গে তার কাছে যাবেন না। দেখবেন শিশু নিজেই নিজের আরাম খুঁজে নিয়ে কান্না থামিয়ে দেবে। এ ভাবেই শিশুরা নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে শেখে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us