শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

রুবেলা কি ও তার প্রতিরোধ

Reporter Name
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : এখন দেশব্যাপী শিশুদের হাম ও রুবেলার টিকাদান কর্মসূচী চলমান আছে। কিন্তু অনেকে বুঝেই না, “রুবেলা” কি ?

রুবেলা কী ?

রুবেলা একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। একে “জার্মান মিজেল্স্” অথবা “তিন দিনের হাম”ও বলা হয়ে থাকে। যেকোন বয়সের মানুষ রুবেলা আক্রান্ত হতে পারে। তবে শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে এটি সংক্রমিত হয় বেশী।
রুবেলা হলে কী কী উপসর্গ হতে পারে ?

এ রোগে সর্দি, কাশি, মাথাব্যথা, ও সামান্য জ্বর (১০১ ডিগ্রি ফা. পর্যন্ত) হয় এবং কানের পেছনে ও ঘাড়ে লিম্ফ গø্যান্ড ফুলে যেতে দেখা যায়। তাছাড়া গীটে গীটে ব্যথা এবং চামড়ায় হাল্কা লাল বা গোলাপী রঙের রেশ হতে পারে। তিন দিন পর সাধারণতঃ জ্বর সেরে যায়, চামড়ায় রেশ থাকলে তাও আস্তে আস্তে চলে যায়। অধিকাংশ সময়ে, রুবেলা সাধারণ সর্দি, জ্বরের মতই মনে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি বুঝতেও পারে না, এর মধ্যে তার রুবেলা হয়ে গেছে।

মহিলাদের গর্ভধারণের প্রথম দিকে (১২-১৫ সপ্তাহ পর্যন্ত) রুবেলা আক্রান্ত হলে নবজাতক শিশুর বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। আক্রান্তদের এক পঞ্চমাংশের ডেলিভারিতে মৃত সন্তান প্রসব হতে দেখা যায়। বাকিদের মধ্যে হৃদযন্ত্রে জন্মগত ত্রুটি, বধিরতা, ছানিযুক্ত চোখ ও অন্ধত্বসহ বিভিন্ন জন্মগত সমস্যা হতে পারে। তাদের অনেকে মানসিক প্রতিবন্ধি হয়, পড়াশোনায় আগাতে পারে না এবং দৈহিক বৃদ্ধিও কম হয়।

এত সব সমস্যা নিরসন করতে গিয়ে রুবেলা ভ্যাক্সিনের সৃষ্টি হয় এবং ১৯৭০ সালে তা টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে “জন্মগত রুবেলা সিনড্রোমকে ব্যাপকভাবে হ্রাস করে।
রুবেলা প্রতিরোধের উপায়ঃ

রুবেলা সহ হাম ও মামস্ প্রতিরোধের জন্য শিশুবয়সে ২টা এমএমআর টিকা দেওয়া হয়ে থাকে। প্রথমটি ১২-১৫ মাস বয়সে ও দ্বিতীয়টি ৪-৬ বছর বয়সে দেওয়া হয়। তবে যেকোন বয়সে এ টিকা নেওয়া যায়। তবে এখন ইপিআই কর্মসূচীতে ০৯ মাস শেষ হয়ে ১০ মাসে পড়লেই হাম রুবেলার টিকা দেয়া হচ্ছে আবার ১৬ আবার একটি দেয়া হয়। মেয়েদের গর্ভধারণের আগে সে যথেষ্ট রুবেলা প্রতিরোধী কিনা তা ভেবে দেখা প্রয়োজন । আগে টিকা নেওয়া থাকলে বা একবার রুবেলা হয়ে গেলেও গর্ভধারণের আগে রুবেলা এন্টিবডির জন্য রক্ত পরীক্ষা করে দেখা দরকার। পরীক্ষার রিপোর্ট যদি পজিটিভ হয়, ভাল। যদি নেগেটিভ হয়, তবে তার আবার টিকা নেওয়া দরকার। কারন গর্ভাবস্থায় পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ হলে, বাচ্চার অসুবিধা হতে পারে। এমতাবস্থায় তাকে সতর্কতার সাথে চলাফেরা করা উচিৎ এবং জনসমাগম যেখানে বেশী সেখানে যথাসম্ভব কম যাওয়া ভাল। সন্তান জন্মদানের পর সে টিকা নিয়ে নেবে। বাচ্চা দুধ পাওয়ার সময় রুবেলা টিকা নেওয়াও সম্পূর্ণ নিরাপদ। তাতে মা ও বাচ্চার কোন ক্ষতি হয় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us