শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

ক্যানসার চিকিৎসায় নয়া দিশা, নতুন অ্যান্টিবডির খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা 

Reporter Name
  • রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : মারণরোগ ক্যানসারের নাম শুনলেই ভয় ধরে মনে। ক্যানসার চিকিৎসায় নয়া দিশা দেখালেন একদল গবেষক। সুইডেনের আপসালা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেটিএইচ রয়্যাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকরা এমন একটি অ্যান্টিবডির খোঁজ পেয়েছেন যা বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর হতে পারে।

গবেষকরা এই অ্যান্টিবডিতে তিনটি ভিন্ন ধরনের কার্যকারিতা একত্রিত করতে সক্ষম হয়েছেন, যার ফলে এটি ক্যানসার সৃষ্টিকারী টিউমারের বিরুদ্ধে টিসেলগুলির কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়িয়ে তোলে। এই নতুন অ্যান্টিবডি ক্যানসারের চিকিৎসায় আশার আলো দেখানোর পাশাপাশি ইমিউনোথেরাপি চিকিৎসার জন্য নতুন দিশা দেখাতে পারে।

গবেষকরা একটি নতুন ধরনের অ্যান্টিবডি তৈরি করেছেন যা একদিকে টিউমারের নির্দিষ্ট উপাদানগুলোকে টার্গেট করে, অন্যদিকে এই অ্যান্টিবডি নিজেই একটি ড্রাগ প্যাকেজ সরবরাহ করে এবং তৃতীয়ত এটি ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। একে বলা হয় ‘৩-ইন-১ ডিজাইন’ – অর্থাৎ তিনটি কার্যকারিতা একত্রিত করা হয়েছে, যা টিউমারের প্রতিটি সেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

প্রধান গবেষক আপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক সারা মাংসবো এবং কেটিএইচ রয়্যাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’র অধ্যাপক জোহান রকবার্গ বলেন, “আমরা প্রায় ১৫ বছর ধরে সঠিক চিকিৎসা (প্রেসিশন মেডিসিন) নিয়ে গবেষণা করছি এবং কী ভাবে অ্যান্টিবডির মাধ্যমে আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগপ্রতিরোধ প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন (CD40)-কে প্রভাবিত করা যায় তা নিয়ে কাজ করেছি। আমরা এখন দেখাতে পারছি যে আমাদের নতুন অ্যান্টিবডি পদ্ধতি ক্যানসারের জন্য প্রেসিশন মেডিসিন হিসেবে কার্যকর।”

এই নতুন অ্যান্টিবডি ক্যানসার প্রতিরোধে নির্দিষ্ট জিনগত পরিবর্তন ও মিউটেশনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা কেবল ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষে থাকে। এই পরিবর্তনগুলোকে বলা হয় ‘নিওঅ্যান্টিজেন্স’। অ্যান্টিবডিটি টিউমার-নির্দিষ্ট উপাদানটি সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ধরনের ইমিউন সেলে পৌঁছে দেয় এবং একসঙ্গে সেই সেলটিকে সক্রিয় করে। এর ফলে টি সেলের প্রতিক্রিয়া ক্যানসার সৃষ্টিকারী টিউমারের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে যায়। এই পদ্ধতি আগের চিকিৎসার তুলনায় অনেক নিরাপদ।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, নতুন অ্যান্টিবডি পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিটি রোগীর জন্য একক ভাবে কাস্টমাইজড চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে তাঁদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তুলবে। এই গবেষণা ক্যানসারের মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্বে রোগীদের জন্য এক নতুন দিশা দেখাতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us