শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

সম্মানসূচক ডক্টরেট অর্জন করেছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী সমাজকর্মী ফয়েজ উদ্দিন এমবিই

Reporter Name
  • শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : ব্রিটিশ বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন এমবিই সম্প্রতি পাবলিক সার্ভিসে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন। ডেনমার্কের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্কুল অফ স্ক্যান্ডিনেভিয়া (আইবিএসএস) এবং যুক্তরাষ্ট্রের এডুমাইন্ডস লার্নিং যৌথভাবে এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করে তাকে। এই ডিগ্রি শুধুমাত্র তার কর্মজীবনে একটি অনন্য অর্জন হিসেবেই নয় বরং তা ব্রিটেন এবং বাংলাদেশের সমাজসেবার ক্ষেত্রে তার বহুমুখী অবদানের একটি মূল্যবান স্বীকৃতি । ১৯৬২ সালে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন। ১৯৭১ সালে মাত্র দশ বছর বয়সে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতায় অর্থ সংগ্রহ ও খাদ্য সরবরাহের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশের আইএফআইসি ব্যাংকে জুনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন। ১৯৯৩ সালে বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলে প্রথম বাংলাদেশী কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হন এবং কমিউনিটির উন্নয়নে আশাতীত অবদান রাখেন তিনি। ১৯৯৬ সালে আস্টনে একটি মাল্টি-পারপাস সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন এবং এর জন্য ২.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের তহবিল সংগ্রহের এই উদ্যোগ স্থানীয় কমিউনিটির জন্য কল্যাণের একটি মাইলফলক হিসেবে প্রশংসা কুড়ায়। ১৯৯৭ সালে বার্মিংহামের লর্ড মেয়রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে সহায়তা করেন, যেখানে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তার উদ্যোগে দুই দেশের মধ্যে শহর টুইনিং প্রোগ্রাম চালু হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে। মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন এমবিই ২০১২ সালে কমিউনিটি কোহেসন ও পুনর্গঠনে তার অমূল্য অবদানের জন্য রাণীর সম্মাননা তালিকায় এমবিই উপাধি লাভ করেন। এছাড়াও তিনি ২০১৮ সালে বাকিংহাম প্যালেসে রাণীর সাথে এক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন রাজ পরিবারের সদস্যদের সাথেও একাধিকবার সাক্ষাৎ করেছেন। এমবিই উপাধি গ্রহণকালে রাজা চার্লসের সাথে তার সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় সিলেট ভ্রমণের কথা উঠে আসে, যা তার জন্য ছিল অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। বর্তমানে মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন নিউ হোপ গ্লোবাল এবং নিউ হোপ এডুকেশন (সিআইসি) এর চেয়ারম্যান এবং সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে এই সংস্থাগুলি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী ও অন্যান্য এথনিক মাইনরিটি কমিউনিটির জন্য শিক্ষা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভের মাধ্যমে তিনি আরও বৃহৎ ও বৈশ্বিক পর্যায়ে এ প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে যেতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে তিনি। ব্রিটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির উন্নয়নে মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন এমবিই’র এই অসামান্য অবদান নিঃসন্দেহে একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে বাংলাদেশী বৃটিশ প্রজন্মের জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us