শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

ত্বকে সিরাম ব্যবহারের আগে যা জানা জরুরি

Reporter Name
  • বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : বর্তমান সময়ে ত্বক পরিচর্যার অন্যতম উপকারণ হলো সিরাম। এমনকি ক্লিনজার বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের চাইতেও বেশি উপকার পাওয়া যায় এই প্রসাধনী থেকে। কিন্তু এই সিরাম ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ- ‘ভুল প্রয়োগবিধি’। তাই সিরাম ব্যবহারের আগে অবশ্যই জেনে নিন, কোন সিরাম কোন ধরনের ত্বকের উপযোগী এবং কোন সিরামের কী কাজ। আর এই সিরাম ব্যবহারের সাধারণ সেই ভুলগুলো- ত্বক বুঝে সিরাম পর্যাপ্ত আর্দ্রতার অভাবে ত্বকে দেখা দেয় শুষ্কতা। ত্বকে দেখা দেয় রুক্ষভাব। এ ধরনের ত্বকের জন্য হায়ালুরনিক অ্যাসিড এবং গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সিরাম বেশ উপকারী। বেশি তেলতেলে নয়, আবার বেশি শুষ্কও নয়, এমন সুন্দর ত্বক সবার ভাগ্যে থাকে না। এ ধরনের ত্বকে সারা বছরই নরম ও মৃসণতা বজায় থাকে। শুষ্ক ও রুক্ষতা আটকাতে যে সিরামগুলো সব ধরনের ত্বকে প্রযোজ্য, তা নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যাবে। সাধারণত এই ধরনের ত্বকে ‘ভিটামিন সি’ এবং ‘রেটিনল’ সমৃদ্ধ সিরাম কার্যকরী। অনেকেরই ব্রণ-প্রবণ ত্বকের সমস্যা ভোগেন। এ ধরনের ত্বকের প্রধান সমস্যা- উন্মুক্ত রোমকূপ। তাই এ ধরনের ত্বকে স্যালিস্যালিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরাম ভালো। সাধারণ ত্বকেও ব্রণ, বলিরোখা ও মেছতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ত্বকেরও চাই উপযুক্ত সিরাম। আর সব ধরনের ত্বক উপযোগী সিরামে ‘নিয়াসিনামাইড’, ‘আরবুটিন’ ও ‘ভিটামিন সি’র মতো উপাদান থাকাটা জরুরি। সাধারণ ভুলগুলো ত্বকে জমে থাকা ময়লা ও মৃতকোষ দূর করতে এক্সফলিয়েট করতে হয়। এটা শুধু উজ্জ্বলতাই বাড়ায় না, সিরাম ঠিকমতো ত্বকের গভীরে শুষে নিতেও সাহায্য করে। সিরামের পূর্ণ উপকার পেতে রুটিন মেনে ঠিকমতো সিরাম ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে ক্লিনজার ব্যবহার, প্রয়োজন হলে সঙ্গে ত্বক এক্সফলিয়েট করতে হবে। এরপর টোন, তারপর সিরাম। আর সিরাম শুষে নেওয়ার জন্য অন্তত ১০ মিনিট সময় দিতে হবে। সাধারণত সিরাম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেকেই ক্রিমের মতো গালে ঘষতে থাকেন। এটা করা মোটেও উচিত হবে না। যত বেশি তত ভালো- এটা ত্বক পরিচর্যার জন্য ঠিক না।  যখন একের অধিক সিরাম ব্যবহার করা হবে তখন একটার থেকে অন্যটার কার্যকারিতা হারাবে।বর্তমান সময়ে ত্বক পরিচর্যার অন্যতম উপকারণ হলো সিরাম। এমনকি ক্লিনজার বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের চাইতেও বেশি উপকার পাওয়া যায় এই প্রসাধনী থেকে। কিন্তু এই সিরাম ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ- ‘ভুল প্রয়োগবিধি’। তাই সিরাম ব্যবহারের আগে অবশ্যই জেনে নিন, কোন সিরাম কোন ধরনের ত্বকের উপযোগী এবং কোন সিরামের কী কাজ। আর এই সিরাম ব্যবহারের সাধারণ সেই ভুলগুলো- ত্বক বুঝে সিরাম পর্যাপ্ত আর্দ্রতার অভাবে ত্বকে দেখা দেয় শুষ্কতা। ত্বকে দেখা দেয় রুক্ষভাব। এ ধরনের ত্বকের জন্য হায়ালুরনিক অ্যাসিড এবং গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সিরাম বেশ উপকারী। বেশি তেলতেলে নয়, আবার বেশি শুষ্কও নয়, এমন সুন্দর ত্বক সবার ভাগ্যে থাকে না। এ ধরনের ত্বকে সারা বছরই নরম ও মৃসণতা বজায় থাকে। শুষ্ক ও রুক্ষতা আটকাতে যে সিরামগুলো সব ধরনের ত্বকে প্রযোজ্য, তা নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যাবে। সাধারণত এই ধরনের ত্বকে ‘ভিটামিন সি’ এবং ‘রেটিনল’ সমৃদ্ধ সিরাম কার্যকরী। অনেকেরই ব্রণ-প্রবণ ত্বকের সমস্যা ভোগেন। এ ধরনের ত্বকের প্রধান সমস্যা- উন্মুক্ত রোমকূপ। তাই এ ধরনের ত্বকে স্যালিস্যালিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরাম ভালো। সাধারণ ত্বকেও ব্রণ, বলিরোখা ও মেছতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ত্বকেরও চাই উপযুক্ত সিরাম। আর সব ধরনের ত্বক উপযোগী সিরামে ‘নিয়াসিনামাইড’, ‘আরবুটিন’ ও ‘ভিটামিন সি’র মতো উপাদান থাকাটা জরুরি। সাধারণ ভুলগুলো ত্বকে জমে থাকা ময়লা ও মৃতকোষ দূর করতে এক্সফলিয়েট করতে হয়। এটা শুধু উজ্জ্বলতাই বাড়ায় না, সিরাম ঠিকমতো ত্বকের গভীরে শুষে নিতেও সাহায্য করে। সিরামের পূর্ণ উপকার পেতে রুটিন মেনে ঠিকমতো সিরাম ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে ক্লিনজার ব্যবহার, প্রয়োজন হলে সঙ্গে ত্বক এক্সফলিয়েট করতে হবে। এরপর টোন, তারপর সিরাম। আর সিরাম শুষে নেওয়ার জন্য অন্তত ১০ মিনিট সময় দিতে হবে। সাধারণত সিরাম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেকেই ক্রিমের মতো গালে ঘষতে থাকেন। এটা করা মোটেও উচিত হবে না। যত বেশি তত ভালো- এটা ত্বক পরিচর্যার জন্য ঠিক না।  যখন একের অধিক সিরাম ব্যবহার করা হবে তখন একটার থেকে অন্যটার কার্যকারিতা হারাবে।বর্তমান সময়ে ত্বক পরিচর্যার অন্যতম উপকারণ হলো সিরাম। এমনকি ক্লিনজার বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের চাইতেও বেশি উপকার পাওয়া যায় এই প্রসাধনী থেকে। কিন্তু এই সিরাম ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ- ‘ভুল প্রয়োগবিধি’। তাই সিরাম ব্যবহারের আগে অবশ্যই জেনে নিন, কোন সিরাম কোন ধরনের ত্বকের উপযোগী এবং কোন সিরামের কী কাজ। আর এই সিরাম ব্যবহারের সাধারণ সেই ভুলগুলো- ত্বক বুঝে সিরাম পর্যাপ্ত আর্দ্রতার অভাবে ত্বকে দেখা দেয় শুষ্কতা। ত্বকে দেখা দেয় রুক্ষভাব। এ ধরনের ত্বকের জন্য হায়ালুরনিক অ্যাসিড এবং গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সিরাম বেশ উপকারী। বেশি তেলতেলে নয়, আবার বেশি শুষ্কও নয়, এমন সুন্দর ত্বক সবার ভাগ্যে থাকে না। এ ধরনের ত্বকে সারা বছরই নরম ও মৃসণতা বজায় থাকে। শুষ্ক ও রুক্ষতা আটকাতে যে সিরামগুলো সব ধরনের ত্বকে প্রযোজ্য, তা নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যাবে। সাধারণত এই ধরনের ত্বকে ‘ভিটামিন সি’ এবং ‘রেটিনল’ সমৃদ্ধ সিরাম কার্যকরী। অনেকেরই ব্রণ-প্রবণ ত্বকের সমস্যা ভোগেন। এ ধরনের ত্বকের প্রধান সমস্যা- উন্মুক্ত রোমকূপ। তাই এ ধরনের ত্বকে স্যালিস্যালিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরাম ভালো। সাধারণ ত্বকেও ব্রণ, বলিরোখা ও মেছতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ত্বকেরও চাই উপযুক্ত সিরাম। আর সব ধরনের ত্বক উপযোগী সিরামে ‘নিয়াসিনামাইড’, ‘আরবুটিন’ ও ‘ভিটামিন সি’র মতো উপাদান থাকাটা জরুরি। সাধারণ ভুলগুলো ত্বকে জমে থাকা ময়লা ও মৃতকোষ দূর করতে এক্সফলিয়েট করতে হয়। এটা শুধু উজ্জ্বলতাই বাড়ায় না, সিরাম ঠিকমতো ত্বকের গভীরে শুষে নিতেও সাহায্য করে। সিরামের পূর্ণ উপকার পেতে রুটিন মেনে ঠিকমতো সিরাম ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে ক্লিনজার ব্যবহার, প্রয়োজন হলে সঙ্গে ত্বক এক্সফলিয়েট করতে হবে। এরপর টোন, তারপর সিরাম। আর সিরাম শুষে নেওয়ার জন্য অন্তত ১০ মিনিট সময় দিতে হবে। সাধারণত সিরাম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেকেই ক্রিমের মতো গালে ঘষতে থাকেন। এটা করা মোটেও উচিত হবে না। যত বেশি তত ভালো- এটা ত্বক পরিচর্যার জন্য ঠিক না।  যখন একের অধিক সিরাম ব্যবহার করা হবে তখন একটার থেকে অন্যটার কার্যকারিতা হারাবে।বর্তমান সময়ে ত্বক পরিচর্যার অন্যতম উপকারণ হলো সিরাম। এমনকি ক্লিনজার বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের চাইতেও বেশি উপকার পাওয়া যায় এই প্রসাধনী থেকে। কিন্তু এই সিরাম ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ- ‘ভুল প্রয়োগবিধি’। তাই সিরাম ব্যবহারের আগে অবশ্যই জেনে নিন, কোন সিরাম কোন ধরনের ত্বকের উপযোগী এবং কোন সিরামের কী কাজ। আর এই সিরাম ব্যবহারের সাধারণ সেই ভুলগুলো- ত্বক বুঝে সিরাম পর্যাপ্ত আর্দ্রতার অভাবে ত্বকে দেখা দেয় শুষ্কতা। ত্বকে দেখা দেয় রুক্ষভাব। এ ধরনের ত্বকের জন্য হায়ালুরনিক অ্যাসিড এবং গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সিরাম বেশ উপকারী। বেশি তেলতেলে নয়, আবার বেশি শুষ্কও নয়, এমন সুন্দর ত্বক সবার ভাগ্যে থাকে না। এ ধরনের ত্বকে সারা বছরই নরম ও মৃসণতা বজায় থাকে। শুষ্ক ও রুক্ষতা আটকাতে যে সিরামগুলো সব ধরনের ত্বকে প্রযোজ্য, তা নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যাবে। সাধারণত এই ধরনের ত্বকে ‘ভিটামিন সি’ এবং ‘রেটিনল’ সমৃদ্ধ সিরাম কার্যকরী। অনেকেরই ব্রণ-প্রবণ ত্বকের সমস্যা ভোগেন। এ ধরনের ত্বকের প্রধান সমস্যা- উন্মুক্ত রোমকূপ। তাই এ ধরনের ত্বকে স্যালিস্যালিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরাম ভালো। সাধারণ ত্বকেও ব্রণ, বলিরোখা ও মেছতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ত্বকেরও চাই উপযুক্ত সিরাম। আর সব ধরনের ত্বক উপযোগী সিরামে ‘নিয়াসিনামাইড’, ‘আরবুটিন’ ও ‘ভিটামিন সি’র মতো উপাদান থাকাটা জরুরি। সাধারণ ভুলগুলো ত্বকে জমে থাকা ময়লা ও মৃতকোষ দূর করতে এক্সফলিয়েট করতে হয়। এটা শুধু উজ্জ্বলতাই বাড়ায় না, সিরাম ঠিকমতো ত্বকের গভীরে শুষে নিতেও সাহায্য করে। সিরামের পূর্ণ উপকার পেতে রুটিন মেনে ঠিকমতো সিরাম ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে ক্লিনজার ব্যবহার, প্রয়োজন হলে সঙ্গে ত্বক এক্সফলিয়েট করতে হবে। এরপর টোন, তারপর সিরাম। আর সিরাম শুষে নেওয়ার জন্য অন্তত ১০ মিনিট সময় দিতে হবে। সাধারণত সিরাম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেকেই ক্রিমের মতো গালে ঘষতে থাকেন। এটা করা মোটেও উচিত হবে না। যত বেশি তত ভালো- এটা ত্বক পরিচর্যার জন্য ঠিক না।  যখন একের অধিক সিরাম ব্যবহার করা হবে তখন একটার থেকে অন্যটার কার্যকারিতা হারাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us