শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

যেভাবে ১১ কোটি টাকার বিশ্বসেরা শিক্ষক পুরস্কার পেলেন পাকিস্তানি কন্যা

Reporter Name
  • শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মাত্র ১৩ বছর বয়সে নিজের বাড়ির উঠোনে কয়েকটি শিশুকে পড়াতে শুরু করেছিলেন সিস্টার জেফ। কারণ, টাকার অভাবে ওই শিশুগুলোকে পড়ানোর মতো অবস্থা ছিল না তাদের পরিবারের। ২৬ বছর পর বাড়ি উঠোনে শুরু হওয়া ওই স্কুলই বিশ্বসেরা শিক্ষকের পুরস্কার এনে দিল জেফকে।

৮ নভেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত জাতিসংঘের ইউনেসকো সদর দপ্তরে ২০২৩ সালের বিশ্বসেরা শিক্ষক হিসেবে জেফের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আট বছর ধরে প্রতিবছর এই পুরস্কারটি দিয়ে আসছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ভার্কি ফাউন্ডেশন। এই পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা বর্তমানে ১১ কোটি ২ লাখ টাকা।

দ্য ন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিশোর বয়সেই স্কুলের তহবিল গঠনের জন্য দিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিশ্রম করতেন সিস্টার জেফ। চার ঘণ্টা স্কুলের শিশুদের পড়াতেন, আর রাত জেগে পড়তেন নিজেও। বাড়ি উঠোনে শুরু হওয়া তাঁর সেই স্কুলটির এখন একটি ভবনও রয়েছে। যেখানে দুই শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশু বিনা মূল্যে পড়াশোনা করছে।

পুরস্কার হিসেবে পাওয়া ১১ কোটি টাকা নিজের স্কুলের পেছনে ব্যয় করারই পরিকল্পনা করেছেন জেফ। চার হেক্টর জমির ওপর নতুন ভবন নির্মাণ করবেন তিনি। সমাজের দরিদ্র শ্রেণির শিশুরা সেখানে কোনো বৈষম্য ছাড়াই পড়াশোনা করবে। এ ছাড়া এতিম শিশুদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্রও নির্মাণ করা হবে। তাদের পড়ানোর জন্য বিশ্বের সব জায়গা থেকেই শিক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবেচনায় থাকা বিশ্বের প্রায় সাত হাজার শিক্ষকের মধ্য থেকে জেফকে এবার সর্ব শ্রেষ্ঠ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালায় বসবাস করা এই শিক্ষক শিশুদের ইংরেজি, উর্দু, সংস্কৃতি, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে পড়ান।

জেফের স্কুলের মেয়েরা আত্মরক্ষার ক্লাসও করে। চালু আছে একটি ভকেশনাল সেন্টারও—যেখানে কম্পিউটার, টেক্সটাইল এবং ইংরেজি শেখায় দক্ষতা অর্জন করেছেন ছয় হাজারের বেশি নারী।

পুরস্কারের জন্য জেফকে অভিনন্দন জানিয়ে ভার্কি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সানি ভার্কি বলেছেন, ‘সিস্টার জেফ, আপনার অবিশ্বাস্য গল্পটি দেখায় যে আজ এবং আগামীকালের বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শিক্ষা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us