শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

অশ্লীলতার অভিযোগ তুলে কাশবনে আগুন দিয়েছে স্থানীয়রা

Reporter Name
  • সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ

অশ্লীলতার অভিযোগ তুলে সিলেটের গোলাপগঞ্জে চৌঘরী এলাকার একটি কাশবনে আগুন দিয়েছে স্থানীয়রা।

গতকাল শুক্রবার (১ অক্টোবর) শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীর দাবি, কাশবনে অশ্লীল কর্মকাণ্ড হয়। এসব কর্মকাণ্ড এড়াতে কাশবনে আগুন দেওয়া হয়েছে।

কাশবনটি সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত। চৌঘরী এলাকার এক বাসিন্দা ব্যক্তিগতভাবে বালু উত্তোলন করে জমিয়ে রেখেছিলেন। বেশ কিছু দিন ধরে ওই এলাকায় জমিয়ে রাখা বালুতে প্রাকৃতিকভাবেই কাশবনটি বেড়ে ওঠে। শরৎকালে কাশফুল দেখতে অনেকেই এখানে বেড়াতে আসে। সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।

সালমান কাদের নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কাশবনটির সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে গেলে সেখানে আগুল জ্বলতে দেখা যায়। পরে দর্শনার্থীসহ কয়েকজন স্থানীয় মিলে আগুন নেভায়। এরপর আরেকবার কাশবনে আগুন দিয়ে পুরো বনটি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

দর্শনার্থী রাসেল আহমদ জানান, কাশবন এলাকায় প্রচুর দর্শনার্থী আসে। কেউ অশ্লীলতা করলে সেজন‌্য কাশবন পুড়িয়ে দেওয়া কোনো যুক্তি সম্মত কাজ নয়। প্রথমবার দর্শনার্থীদের চেষ্টায় কাশবনের আগুন নেভানো সম্ভব হলেও দ্বিতীয় দফা আগুনে পুরো বাগানটি ছাই হয়ে গেছে।

জানা গেছে, কাশবন এলাকায় দর্শনার্থী বাড়ছিল। ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে দর্শনার্থীদের কথা–কাটাকাটির ঘটছিল। গতকালও স্থানীয়দের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দর্শনার্থীদের কথা–কাটাকাটি হয়। এদিকে কাশবনটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো কর্তৃপক্ষ ছিল না। এসব কারণে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কয়েকজন দাবি করেন, কাশবনে দিন দিন দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ছিল। কাশবন দেখার নাম করে অনেকেই এলাকায় অশ্লীল–অসামাজিক কর্মকাণ্ড শুরু করে। যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য সব দিক বিবেচনা করে কাশবনে আগুন দেওয়া হয়।

গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ফারুক আহমদ বলেন, ‘আগুন কে বা কারা দিয়েছে তা জানা যায়নি।’

সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান কাশিমি বলেন, ‘শুনেছি কাশবন দেখতে মানুষ ভিড় করত। হঠাৎই সেটিতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আর কিছু জানা নেই।’

গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম কবির বলেন, ‘কাশবনটি কোনো সরকারি সম্পত্তি ছিল না। কারো ব‌্যক্তিগত স্থানে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছিল। কাশবনটি পুড়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে খোঁজ নিতে বলেছি।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us