শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু

Reporter Name
  • মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩১২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ  মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এ লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সরঞ্জাম হস্তান্তরের কাজ শুরু করার কথা জানানো হয়েছে।

আফগানিস্তানে নিয়োজিত মার্কিন সেনা অধিনায়ক জেনারেল অস্টিন স্কট মিলার ২৫ এপ্রিল এ-সংক্রান্ত প্রস্তুতির কথা সাংবাদিকদের জানান।

জেনারেল মিলার বলেন, তাঁর কাছে এখন একগাদা নির্দেশ রয়েছে। সুশৃঙ্খলভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের অংশ হিসেবে সামরিক স্থাপনগুলো ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন চলতি মাসের শুরুর দিকে ঘোষণা দেন, আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের আগেই আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে। আর আগামী ১ মে থেকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে জঙ্গি হামলা হয়। সেই হামলার জের ধরে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযানে যায় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দীর্ঘতম এই যুদ্ধের ২০ বছর পূর্তির আগেই আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

তালেবান উৎখাতের পর কাবুলে মার্কিন সমর্থনে প্রতিষ্ঠিত হয় বেসামরিক আফগান সরকার। বর্তমান আফগান সরকার এখন নিজ দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম বলে মনে করছে মার্কিন প্রশাসন।

তালেবানের সঙ্গে আগের মার্কিন প্রশাসনের করা এক গোপন চুক্তি অনুযায়ী, মে মাসে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট বাইডেন মে মাস থেকেই এ-সংক্রান্ত কাজ শুরু করছেন। তবে সুশৃঙ্খলভাবে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের জন্য তিনি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় নিচ্ছেন।

জেনারেল মিলার বলেছেন, ১ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কাজ শুরু করার কথা। তবে মাঠপর্যায়ের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

আফগানিস্তানে এখনো প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাহার করা হলে আফগানিস্তানে নিরাপত্তাঝুঁকি সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে আফগান নিরাপত্তা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর।

আফগানিস্তান এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের তালিকায় নেই। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য আফগানিস্তান নয়, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন নিজের দেশের দিকেই বেশি নজর রাখতে হচ্ছে।

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান জঙ্গিরা দেশটির ক্ষমতা দখল করে নিতে পারে বলে অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে নিরাপত্তার বাহিনীর তিন লাখ সদস্য রয়েছেন বলে বলা হচ্ছে। তবে এই সংখ্যা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তা ছাড়া দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

জেনারেল মিলার নিজেই বলেছেন, আফগান সেনাদের প্রস্তুতির কথা জানতে চাওয়া হলে সব সময় একই উত্তর পাওয়া গেছে। আর তা হলো তাদের অবশ্যই সক্ষম হয়ে তৈরি থাকতে হবে।

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হলেই আফগানিস্তানের প্রকৃত অবস্থা কতটা নাজুক, তা জানা যাবে বলে অনেকে মনে করছেন।

জেনারেল মিলার বলেছেন, আফগানিস্তানে মার্কিন স্বার্থের ওপর আঘাত এলে যুক্তরাষ্ট্র উপযুক্ত জবাব দেবে। আফগানিস্তানে প্রত্যাহারের অপেক্ষায় থাকা কোনো মার্কিন সেনার ওপর হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র সমুচিত জবাব দেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us