শিরোনাম :
আমি মনে করি গাজা নিয়ে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছে’ : ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হুমকিতে এশিয়ার বাজারে পতন ইরানের হস্তক্ষেপে সউদীর প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানায় হিজবুল্লাহ পবন কল্যাণের ‘দে কল হিম ওজি’ ইতিহাস গড়ল প্রথম দিনেই ভের্ডার ব্রেমেনকে উড়িয়ে শীর্ষে বায়ার্ন, রেকর্ড গড়লেন কেন শেখ হাসিনার বিচার আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার: ড. ইউনূস ভোটমুখী বিহারে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শুরু, লালুকে বার্তা পাঠিয়ে সীমাঞ্চল যাত্রায় ওয়েইসি মিশিগানে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সম্মাননায় ‘তারকা অ্যাওয়ার্ড’ ১২ অক্টোবর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিদ্রূপ ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি হলে গাজা পুনর্গঠনে সম্মেলনের আয়োজন করবে মিশর

উড়োজাহাজের চাকার বক্সে কাবুল থেকে দিল্লি, কিশোরের দুঃসাহসিক যাত্রা

Reporter Name
  • বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : এক আফগান কিশোর উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারের (চাকার বক্স) ভেতর লুকিয়ে কাবুল থেকে ভারতের দিল্লি পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছে। প্রায় দুই ঘণ্টার যাত্রার পর অক্ষত অবস্থায় নয়াদিল্লির বিমানবন্দরে পৌঁছেছে ১৩ বছরের ওই কিশোর।তবে ওই আফগান কিশোর ভারত নয়, যেতে চেয়েছিল ইরানে। এ লক্ষ্যে গত রোববার ভোরে সে গোপনে কাবুল বিমানবন্দরের ভেতরে ঢুকেছে। তারপর সবার চোখ এড়িয়ে যাত্রীদের একটি দলের সঙ্গে রানওয়েতে চলে যায়। সেখানে সে কেএএম এয়ারের উড়োজাহাজের চাকা রাখার বক্সের ভেতর লুকিয়ে পড়ে। তার কাছে শুধু লাল রঙের একটি অডিও স্পিকার ছিল।

নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা জানান, তারা রানওয়েতে সাদা রঙের কুর্তা-পায়জামা পরা একটি কিশোরকে এলোমেলোভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই কিশোরের কাবুল থেকে দিল্লি পর্যন্ত দুঃসাহসিক যাত্রা সম্পর্কে জানা যায়।পরে সেদিন সন্ধ্যায় ওই কিশোরকে কাবুলগামী একটি ফ্লাইটে উঠিয়ে দেওয়া হয়।

সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) এক কর্মকর্তা বলেন, ওই কিশোর আফগানিস্তানের কেএএম এয়ারের কাবুল থেকে দিল্লিগামী একটি উড়োজাহাজের চাকা রাখার বাক্সে গোপনে উঠে পড়ে। রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সেটি দিল্লি পৌঁছায়।কিশোর বেরিয়ে আসার পর উড়োজাহাজটিতে প্রথমে নিরাপত্তা তল্লাশি চালানো হয়। পরে প্রকৌশলীরা সেটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি আছে কি না, তা পরীক্ষা করেন। পেছনের ল্যান্ডিং গিয়ার বক্সে ছোট লাল রঙের একটি অডিও স্পিকার পাওয়া যায়।

কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের বিপজ্জনক যাত্রায় ঠান্ডা ও অক্সিজেনের অভাবে মাঝ আকাশে ওই কিশোরের মৃত্যুও হতে পারত। বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ হাজার ফুট উচ্চতা দিয়ে ওড়ে। ওই উচ্চতায় তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। এ ছাড়া উড়োজাহাজ যখন অত উঁচুতে ওড়ে, তখন প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি হয়।উড়োজাহাজের চাকা রাখার বাক্সে লুকিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা এটাই প্রথম নয়। এমন ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ৭৭ শতাংশের বেশি। এফএএর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ কাজ করতে গিয়ে ১৯৪৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ALL RIGHTS RESERVED -2020-2024
Design & Developed by positiveit.us