ডেস্ক রিপোর্ট : আসছে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণ করতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।এর আগে তিনি তার নতুন প্রশাসনের জন্য বেশ কিছু আলোচিত ও বিতর্কিত নিয়োগ ঘোষণা করেছেন। এসব নিয়োগে স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা এবং বিচার বিভাগের দায়িত্বশীল পদে এমন ব্যক্তিদের মনোনীত করা হয়েছে, যারা বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হয়েছেন।
নতুন প্রশাসনের জন্য ট্রাম্প যে নিয়োগ দিচ্ছেন, তা তার নীতিগত অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রতিফলন। তিনি এমন লোকজনকে বেছে নিচ্ছেন, যারা তার “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং তার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে ভূমিকা রাখতে পারবে।কিছু নিয়োগের ক্ষেত্রে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন, যা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
ট্রাম্পের নতুন প্রশাসনে প্রধান নিয়োগসমূহে ট্রাম্পের নতুন মন্ত্রিসভায় এবং অন্যান্য শীর্ষ পদে যারা স্থান পাচ্ছেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিও
ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিও, যিনি চীন সম্পর্কে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পক্ষে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ
ফক্স নিউজ হোস্ট এবং সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য হলেন পিট হেগসেথ।
অ্যাটর্নি জেনারেল ম্যাট গেটজ
ফ্লোরিডার এই কংগ্রেসম্যান ম্যাট গেটজ,যার নিয়োগ নিয়ে দুই দলের মধ্যেই বিতর্ক রয়েছে।
স্বাস্থ্য সচিব জুনিয়র কেনেডি
রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র,যিনি ভ্যাকসিন নিয়ে সন্দেহপ্রবণ মতাদর্শের জন্য পরিচিত।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান
হোমল্যান্ড নিরাপত্তা প্রধান হলেন সাউথ ডাকোটার গভর্নর ক্রিস্টি নোয়েম।
শ্বেতাঙ্গ হাউস চিফ অব স্টাফ
সুসি উইলস যথেষ্ট অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ।হাউস অব স্টাফ পদে তাকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত
জাতিসংঘের মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে এলিস স্টেফানিককে নিযুক্ত করা হয়েছে যিনি রিপাবলিকান পার্টির একজন পরিচিত মুখ। সরকারি দক্ষতা বিভাগের প্রধান
শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক এবং বিবেক রামাস্বামী যারা আমলাতান্ত্রিক খরচ কমানোর কাজে নিযুক্ত হবেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই নিয়োগগুলো তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।যেমন, আমেরিকার শক্তি উৎপাদন বাড়াতে ক্রিস রাইটকে জ্বালানি বিভাগের প্রধান করা হয়েছে। একইভাবে,সীমান্ত সুরক্ষার জন্য টম হোম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।পরিবেশ রক্ষার জন্য দায়িত্বে এসেছেন লি জেলডিন, তবে তার অবস্থান পরিবেশ সংরক্ষণের চেয়ে শিল্প উৎপাদনের পক্ষে।
প্রসঙ্গত,ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগত দিকনির্দেশনার প্রতিফলন এই নিয়োগগুলো।যদিও অনেক নিয়োগ বিতর্কিত,তবে ট্রাম্পের সমর্থকরা মনে করেন, তার এই দল আমেরিকার জন্য কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করবে।নতুন প্রশাসন কীভাবে কাজ করে তা ভবিষ্যতে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। তথ্যসূত্র : বিবিসি
Leave a Reply