
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ম্যানচেস্টারের বায়তুল মামুর মসজিদের ২০২০-২০২৩ সালের জন্য নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। সংবিধান মোতাবেক নিবন্ধিত ৪৯ সদস্যের মধ্যে ৩১ সদস্যের উপস্হিতিতে এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে গঠিত এই নতুন কমিটিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ সহ ১৩ টি পদের মধ্যে ১১ টি পদে আগের কমিটিতে যারা ছিলেন তারাই পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু নতুন ২ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ব্যক্তিগত কারনে ফজলুর রহমান এবং হোসেইনুর চৌধুরী কমিটিতে থাকতে না পারায় নতুন যারা যুক্ত হয়েছেন তারা হলেন হাবিবুর রহমান (সদস্য) এবং নাসিমুল করিম বাবু (সদস্য)।

নুরুল ইসলাম (সভাপতি)
নুরুল ইসলামকে সভাপতি, আসিক রহমানকে সাধারণ সম্পাদক এবং তারেক আম্বিয়াকে কোষাধ্যক্ষ হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত করা হয়েছে।

আসিক রহমান (সাধারণ সম্পাদক)
গত ২৬ জুন শুক্রবার আসরের নামাজের পর মসজিদের সাধারণ সভা যথাসময়ে শুরু হয়।

তারেক আম্বিয়া (কোষাধ্যক্ষ)
সভাটি পরিচালনা করেন মসজিদের সাধারন সম্পাদক আশিকুর রহমান। শুরুতে সভাটি খুব ভাল ভাবে চলছিল। সভার এক পর্যায়ে মসজিদের সংবিধান নিয়ে প্রস্তাব উঠে যে প্রস্তাবটি অতি পুরাতন, প্রত্যেক বৎসর এ প্রস্তাবটি আসে কিন্তু কোন বৎসর সেটা পাশ হয়নি। তদ্রুপ এ বছর ও সেটা প্রস্তাব আকারে আসে। সাধারণ সভায় যে কোন প্রস্তাব আসতে পারে সেটা স্বাভাবিক কিন্তু সমস্যা হলো অন্য জায়গায়, মসজিদের সংবিধান মোতাবেক নতুন প্রস্তাবে শুধু গুড স্টান্ডিং সদস্যরা ভোট দিতে পারবে। এখন কথা হচ্ছে কারা গুড স্ট্যান্ডিং সদস্য। সংবিধানে গুড স্ট্যান্ডিং সদস্যের সংজ্ঞা হচ্ছে যারা মসজিদে টানা ৩ বছর সদস্য থাকবে একমাত্র তারাই ভোট দিতে পারবে আর এ জায়গায় কিছু লোকের আপত্তি। যারা এ সংবিধানটি তৈরী করেছেন তারা এ মসজিদের ভবিষ্যত চিন্তা করে যাতে মসজিদের কমিটি নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি না হয় সে দিক বিবেচনা করে হয়তো করেছিলেন। কারণ আমরা জানি এ প্রবাসে প্রত্যেকটি মসজিদে কমিটি নিয়ে সমস্যা আছে এবং হয়। সেই দিক বিবেচনা করে যাতে টাকা ওয়ালারা টাকা খরচ করে রাতারাতি কেউ এসে কমিটিতে ঢুকতে না পারে সেই জন্য গুড স্ট্যান্ডিং সদস্যের ব্যবস্হা রাখা হয়। যারা এ সংবিধানটি তৈরী করেছিলেন তাদের কেউ কেউ এ সভাতেও উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, এর আগেও সাধারণ সভায় বিভিন্ন সময় সংবিধান সংসোধনের প্রস্তাব আসে এবং কিছু কিছু প্রস্তাব অতীতে পাশ করা হয়েছে. যেহেতু ৩ বছর একটানা সদস্য না থাকলে ভোটাধিকার প্রয়াগ করা যাবে না তাই অতীতের ন্যায় সভাতে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়। কেউ কেউ চায় এ বছর যারা নতুন সদস্য হয়েছেন তাদের ভোট দেয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য যা ছিল সংবিধান বিরোধী, কমিটির বক্তব্য ছিল সংবিধানের বাইরে তারা কিছু করবেন না। তারা অনুরোধ করেছেন যারা নতুন সদস্য হযেছেন তারা ৩ বছর সদস্য থেকে আগামীতে যেন সংবিধান পরিবর্তণ করেন তাতে কারও সমস্যা নাই। সভায় প্রথমেই প্রশ্ন উত্তর পর্বে সদস্য কত জন হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে একজন জিজ্ঞেস করে মসজিদের সদস্য সংখা কত হবে এর উত্তরে বর্তমান কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়া বলেন, আমাদের টুটাল বিল্ডিং কেপাসিটি হচ্ছে ২৬৫-৩০০ মত তবে সদস্য করতে হবে ১৩০ জন। প্রতেক পার্কিং এর বিপরিতে ৩জন করে পারমিশন দেয়। যখন তারেক আম্বিয়া এ উত্তর গুলো দিচ্ছিলেন তখন হারুন আহমেদ বলে উঠেন উনি ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সাথে কথা বলেছেন ফায়ার ডিপার্চমেন্ট বলেছে ৬০০ লোক আসতে পারবে তখন তারেক আম্বিয়া হারুন আহমেদকে চেলেঞ্জ করে ফায়ার ডিপার্টমেন্টের দেয়া লেমিনেট করা কপি সবাইকে দেখিয়ে প্রমান করেন হারুন একজন মিথ্যুক। আর ফায়ার ডিপার্টমেন্টের এ কাগজ সবসময় মসজিদের মেইন দরজার পাশে সবসময় ওয়ালে লাগানো ছিল। যেহেতু এরা মসজিদে আসেনা সেহেতু এ বিষয় গুলো এরা একেবারে জানে না। না জেনে তারেককে হেয় করার জন্য সে প্রথমেই এ কান্ড করে। এর পরে হারুনের অনুসারি আহমেদ আহসান হেলাল নামের এক নতুন সদস্য বলে উঠেন কমিটির লোকজনের আচার ব্যবহার ভাল না। কমিটিতে সব খারাপ লোক. এ কথা বলার সাথে সাথে অনেক মুসল্লি তার প্রতিবাদ করেন। এক পর্যায়ে এক মুসল্লী বলে উঠেন শয়তানরা সব সময় শয়তানি করবে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। এ কথা বলার সাথে সাথে হারুন আহমদ নামের এক ব্যক্তি লাফ দিয়ে উঠেন এবং ওই শয়তান বলা ব্যক্তির দিকে মারমূখী হয়ে তেড়ে আসেন। তার সাথে সরকার মামুন, আহমেদ আহসান হেলাল, লিটন এবং বাহাউদ্দিন পিয়াল সহ যারা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য পরিকল্পনা করে এসেছিল তারাও তার সাথে যোগ দেয়। কমিটির লোকজন শক্ত থাকার কারণে তাদের এ পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারে নি, তবুও তারা কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃস্টি করতে সক্ষম হয়েছে।
শুধু এটা করে তারা ক্ষান্ত হয়নি তারা পরবর্তীতে বর্তম
Leave a Reply